নিজের কাছে
কোথাও হিম মৃত্যু আছে
দুটি চারটি শব্দে লেখা
সহজ নিয়ম মৃত্যু আছে।
Friday, November 6, 2015
খুব মুশকিল,
আজকাল খুব বৃষ্টিবাদল,
বুঝি না ছাই ,
অঙ্ক কিম্বা সুরের মাদল,
ভুল করে যাই
অন্ধকারে।
দেশলাই, রং, হাতবাক্স,
কবিতার বই,
যা কিছু চাই ,
এমনকি নিজেও আমি
প্রেম হয়ে যাই ,
প্রেম হয়ে যাই
এই জোয়ারে।
Wednesday, November 4, 2015
সুমিত , ভাই চিঠি লিখছি লম্বা চিঠি
অনেকদিন ভাই মুখ দেখি না বন্ধুদের
কোথায় কারা কেমন আছে কেই বা জানে
কারো কারো আওয়াজ শুনি , এত দুরে
বুঝি না ছাই কোন কথার ঠিক কি মানে।
পথ ভুল হয় ,ব্যালকনিটার মন কেমন
উইং গুলো সব বদলে গেছে
বটগাছটা এক ই রকম, সামনে সেই একই আছে
রৌদ্র , গাড়ি বস্তা ধুলো
তবুও সব বদলে গেলো।
বিকেল বেলায় ফুটবল সেই পাশের ঘরে
তখন হটাত মনে পড়ে
ধুর কোথায় কি সব ফেলে এসছি
সবাই এখন বড় হচ্ছি একলা ঘরে।
রাত্রে হটাত উঠে পড়ি , গুলতানি টা ?
ব্যালকনিতে অন্ধকারে খিল্লি করছি পাল্লা করে।
কোন মেয়ে যায় কার হাত ধরে ?
আওয়াজ দিচ্ছি ,কিম্বা আরো গোপন খবর
ভাসছে হাওয়ায় ভীষন জোরে
ভাবলেই ঠিক ঘুম পেয়ে যায়
ঘুম পেয়ে যায় ভীষন করে।
প্রত্যেক দিন ব্যস্ত সকাল ভাবি আজও
প্রত্যেক দিন আগের মতই নাস্তানাবুদ
নিজের মত খেলছি ফিরছি
কিম্বা অল্প হাওয়ায় ভাসছি
কোথাও ঠিক বন্ধুরা সব সাক্ষী সাবুদ।
Tuesday, November 3, 2015
আমি এখানে যাই , ওখানে যাই
তোমার নাকি সাহায্য চাই ?
সাহায্য চাই?
তোমার তো সব শ্রেণীকরণ
আমার শুধু ভাত আর রুটি
রোজ বিকেলে নিয়ম করে
একলা ছুটি।
কেমন আছো ?
জানার ইচ্ছা শরীর জুড়ে
বুকের মধ্যে কালি হয়েছে
কালি হয়েছে হৃদয় পুড়ে।
ছবি আঁকছি আজকাল খুব
সবার ছবি , তোমার ছবিও
কেমন আছো বলবে নাকি ?
পারলে একটা চিঠি দিও।
উপেক্ষাও খুব সহজ ছিল
যখন শব্দ সময় নিল।
নিঃশব্দ আর খুব সঙ্গীত
এর মাঝে ঠিক ছিলাম আমি
এক হওয়াতে বদলে দিলে
বদলে দিলে বৃষ্টিমাটি।
আজকাল খুব কুয়াশা হয়
জড়িয়ে আছি গাছের সাথে
জোনাকি কই ?
ঝাপসা দেখি দিনেরাতে।
আমার কিছু সাহায্য চাই
ঠিক করেছি চাইব না আর
সব দরকার বাক্সবন্দী ,
অযথা ওজন , অপ্রয়োজন
তোমার কাছে ,
অনেকটা আজ আমার কাছেও।
অনেকটা আজ
পাথরে জল
হিসেব মত গড়িয়ে যাব
একটু আধটু পথ হারাব
নতুন কি আর ?
সহজ গল্প নতুন করে ফিরে আসার।
Sunday, October 18, 2015
কি ই বা বলি ,
রোজ দুবেলা আগুন দেখি
সকাল বিকেল আগুন দেখি।
কে ই বা জানে
তুমি কেমন, ঠিক এরকম
নাকি হিংস্র ভীষণ ?
আমি এমন
হিসেব ভদ্র ,
বুকের মধ্যে ছায়া কাটে
অবাধ্যতার।
রক্ত যেমন
উথাল পাথাল
শব্দ তেমন
শরীর জুড়ে এক সেতার।
Monday, October 12, 2015
চিত্রমকে...
বেঁচে থাকার জন্য যা কিছু দরকার
সবকিছু আছে ,
কিছু প্রতীক্ষার ঘোড়া ,
আর সাথে কিছু প্রত্যাশা মোড়া
সেলোফেনে ,
তবুও শরৎ আসে
কাশফুলে ছেয়ে যায় মন
কুয়াশা জমেছে বুঝি
শিশির জমেছে ঘাসে
শিউলির গন্ধ
এই সব অপ্রয়োজন
শরৎ, তুমি আজও কী অবাধ্য ভীষন।
ভালবাসতে চাইনি তো আর
ঝরনা কলম চেয়েছিলাম ,বনলতা সেন,
ঝরনা কলম।
বুঝলে না তো?
সামান্য দাম ঝরনা কলম।
অসময়ের চাঁদ রেখেছি
দাম ছিল তার,
বাজার ভারি
বুঝলে না তো ,বনলতা সেন,
বুঝলে না তো?
তোমার শুধু জিতি হারি।
পায়ে শুধু হাওয়াই চটি
দু কাঁধেতে ইচ্ছে ডানা
বুঝলে বোলো বনলতা সেন
এভাবে আর যাওয়া যাবে না।
ঘুম হবে না দিনের শেষে
নিজের কাছেই পণ রেখেছি
সকাল বেলায় বেকার ভাতা
বুঝলে না তো,বনলতা সেন ,
বুঝলে না তো?
.........
কাজ পেয়েছি ,
নিজের জন্য ফাঁদ পাতা।
Saturday, October 10, 2015
আমি এখন একা থাকি
একা থাকি একা থাকি
আর আমার কাঁচের ঘরে
যা যেটুকু লেখা বাকি
লুকিয়ে রাখি লুকিয়ে রাখি
সত্যি মিথ্যে সকল ফাঁকি
একা থাকি একা থাকি
বলতে বলতে এই একাকী
তবুও তোমার ছবি আঁকি।
Friday, August 14, 2015
এই নদীতে কেউ নামে কি
নাকি সবাই পাশেই থামে
নদীর পাশে?
আমার যে সব ইচ্ছে আছে
ইচ্ছে আছে নদীর কাছে
সে সব ইচ্ছে জর্জরিত
জর্জরিত নদীর কাছে
নদী থেকো আমার পাশে।
তোমায় ছুঁতে পাই না নদী
জল দিই না মাথায় মুখে
তবুও দুচোখ বেয়ে তুমিই নামো
তুমিই নামো হঠাত বুকে।
Saturday, August 8, 2015
তুই কি জানিস
মিথ্যে কথাও আর হাঁটে না
আর আমার দু ফুট যে সীমানা
তাতেও তোর্ আসতে মানা।
এখন আমার চোখের সামনে
বেশ আয়না চোখ তবুও অন্ধকারে
তোকে ঠিক আর দেখা হয় না।
পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ, রক্তে রক্তে জল ছলছল করে
নৌকার গলুই ভেঙ্গে উঠে আসে কৃষ্ণা প্রতিপদ
জলজ গুল্মের ভারে ভরে আছে সমস্ত শরীর
আমার অতীত নেই, ভবিষ্যতও নেই কোনখানে।
দু চার লাইন। কাব্যগ্রন্থের নাম 'পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ'। কবি শঙ্খ ঘোষ। নিজেকে খুব ছোট মনে হলে আমি এই লাইন গুলো বলি মনে মনে। এই শব্দ গুলো আমায় শক্তি জোগায়, জুগিয়ে এসেছে বহুদিন ধরে। কবে শুরু করেছিলাম আজ আর মনে নেই।তবে এই লাইন গুলো আমার বড় কাছের হয়ে গেছে, বড় নিজের হয়ে গেছে। আমার কাছে মন্ত্র মনে হয়। শঙ্খ ঘোষ কি মন্ত্র লিখেছেন ?