Sunday, October 13, 2024
শৈশব
Monday, July 1, 2024
তাকে
দুচোখে ভরে আসে সেই স্বাদ।
তাকে কিছুই বলা হয়নি।
ওতোপ্রোতো শব্দের স্রোতে
তাকে এই সব শরীর ছোঁয়া কথা
বলা হয় নি।
বলা হয় নি, দুচোখ মন শরীর জুড়ে
কত কি দেখেছি আমি।
কত কি পেয়েছি।
বলা হয়নি সূর্যতাপ রোজ ফসলের মত
আমার দুচোখ ছুঁয়ে যায়।
বলা হয়নি আমার আলোরেখা
আমারই মতন
শরীর ছুঁতে চায়,
সামান্য কিছু মন।
এসব কারণ অকারণ দল বাঁধে
তাকে বলা হয়নি।
এই যে সব কবিতার দল ছাপা হয়নি কখনো।
কেউ জানবে না, পড়বে না কোনোদিন
তাদের মতই, সেইসব কথা তাকে বলা হয়নি।
হয়তো হবেও না কোনোদিন।
তারপরেও আমি এইসব শব্দ জুড়ে লিখব তার নাম
তাকে ঘিরে আসবাব সাজাব থরে থরে
তাকে ঘিরে রাখব ভীড়ে।
তারপরেও সে কি কখনো বুঝবে সামান্য কিছু তার
আমারও ছিল, সামান্য দুঃখ, রাগ, ভয় ?
তার কি কখনো দিনের শেষে এইসব মনে হয় ?
আমি নিজের মনে আলোকবর্তিকা লিখি।
রোজ নানা ধাধাঁর শেষে
আবারও নতুন কিছু শিখি।
এইসব ভীড়ে সেও থাকে
সে জানেনা তাই
সমস্ত কলহ সংগ্রাম শেষে
আমার শুধুই তাকে চাই।
জুন ৮, ২০২৪
Thursday, June 20, 2024
Friday, June 7, 2024
Wednesday, February 28, 2024
তোমাকে
সময়ের কথা লিখি।
ভেঙে যায় রোজ, ভাঙা ভাঙা আলো
যত দূরে থাকি তত বাসি বেশী ভালো
সময়ের থেকে শিখি।
শেখা হলে কিছু বলার থাকে।
অল্প কিছুই, বলব তোমাকে।
Sunday, February 11, 2024
এ তো ভালো লাগে না।
এভাবে লিখতে আর ভালো লাগে না।
নিজেকে ভেঙে ফেলাই নিয়ম।
তাহলে আমাকে কি ভেঙে দিলে আবার?
শুরু থেকে শেষ ? কিসের অফুরান বেশ ?
রোজ সেরে ওঠা। তারপর দিনের শেষে ভাঙা স্রোত বেয়ে বয়ে যাই।
কিসে যাই ? কোথায় যাই ? কতদূরে যাই ? কে চায় বহুদূরে চলে যেতে।
রোজ লিখে ফেলা সোনার বাগান। তুমি শেখো।
তুমি জানো শব্দবন্ধ। তুমি রোজ লেখো।
আর কতদূর যাওয়া আছে।
সোনালী আভায় পুড়ে যাওয়া ঘর।
আর নতমুখে ফেরা কার কাছে।