Sunday, October 13, 2024

শৈশব

চারপাশ আলো কালো বড়।
তোমাকেও সে তার গল্প শোনালো। 
গল্প শুনব বলে রোজ 
হারানো খাতার খোঁজ।

কোথায় কানের পাশে উদ্ধৃতি হবে 
বিলের পাশ কেটে উড়ে যাবে ঝোড়ো বাতাস। 
সেসব কিছু নয়, শৈশব গোনে সব 
পুরোনো স্মৃতি বড় আবছায়া দাগ কাটে। 

নিজের কলম পাশ। 
পিছু পিছু একা হাঁটে।

তোমাকেও রঙিন রেখেছিল জল।
ভাগ্যিস বলেনি কেউ ধুলোর ফসল।
আজ আধো কথা বুনে বুনে স্বর অল্পে হারালো। 
কিছু গল্পে হারালো। 

অক্টোবর ১৪, ২০২৪

Monday, July 1, 2024

তাকে

দুচোখে ভরে আসে সেই স্বাদ। 
তাকে কিছুই বলা হয়নি। 
ওতোপ্রোতো শব্দের স্রোতে 
তাকে এই সব শরীর ছোঁয়া কথা 
বলা হয় নি। 

বলা হয় নি, দুচোখ মন শরীর জুড়ে 
কত কি দেখেছি আমি। 
কত কি পেয়েছি।

বলা হয়নি সূর্যতাপ রোজ ফসলের মত 
আমার দুচোখ ছুঁয়ে যায়। 
বলা হয়নি আমার আলোরেখা 
আমারই মতন
শরীর ছুঁতে চায়,
সামান্য কিছু মন। 

এসব কারণ অকারণ দল বাঁধে 
তাকে বলা হয়নি। 
এই যে সব কবিতার দল ছাপা হয়নি কখনো। 

কেউ জানবে না, পড়বে না কোনোদিন
তাদের মতই, সেইসব কথা তাকে বলা হয়নি। 
হয়তো হবেও না কোনোদিন। 

তারপরেও আমি এইসব শব্দ জুড়ে লিখব তার নাম 
তাকে ঘিরে আসবাব সাজাব থরে থরে 
তাকে ঘিরে রাখব ভীড়ে। 
তারপরেও সে কি কখনো বুঝবে সামান্য কিছু তার 
আমারও ছিল, সামান্য দুঃখ, রাগ, ভয় ?
তার কি কখনো দিনের শেষে এইসব মনে হয় ?

আমি নিজের মনে আলোকবর্তিকা লিখি। 
রোজ নানা ধাধাঁর শেষে 
আবারও নতুন কিছু শিখি। 
এইসব ভীড়ে সেও থাকে 
সে জানেনা তাই 
সমস্ত কলহ সংগ্রাম শেষে 
আমার শুধুই তাকে চাই। 

জুন ৮, ২০২৪

Thursday, June 20, 2024

যত দূরে যাই
কাছে কাছে আসি। 
যত দূরে যাই 
তত ভালোবাসি।

তোর কাছে থাকে যেন
অন্ধকারে আলো। 
ভালোবেসে ভীষণ
মুছে দিস সব অচেনা, অপ্রয়োজন।

জুনে ২১, ২০২৪

Friday, June 7, 2024

কে যেন কস্তুরী বলে গেছে। 
আমাকে ঘিরে থাকে সেই স্বাদ। 

আমাকে ঘিরে থাকে পুরোনো বিবাদ। 
সেই শর্ত, কিচ্ছু পায়নি সে। 
যদি ভালো থাকে। 

যেতে দেওয়া ভালো। 
কাঁচের ঘরের যত অন্ধকার আলো 
একরাশ জোনাকি জ্বালালো। 

ভালো থাকে যেন। 
যেমন ছিল ঝগড়ুটে, রাগী
একটু মনভোলা
সবকিছুতে তার প্রশ্ন ছিল কেন ?
ভালো থাকে যেন। 

জুন ৭, ২০২৪

Wednesday, February 28, 2024

তোমাকে

সময়ের কথা লিখি। 
ভেঙে যায় রোজ, ভাঙা ভাঙা আলো 
যত দূরে থাকি তত বাসি বেশী ভালো 
সময়ের থেকে শিখি।

শেখা হলে কিছু বলার থাকে। 
অল্প কিছুই, বলব তোমাকে। 
  

Sunday, February 11, 2024

এ তো ভালো লাগে না। 
এভাবে লিখতে আর ভালো লাগে না। 
নিজেকে ভেঙে ফেলাই নিয়ম। 
তাহলে আমাকে কি ভেঙে দিলে আবার?
শুরু থেকে শেষ ? কিসের অফুরান বেশ ?

রোজ সেরে ওঠা। তারপর দিনের শেষে ভাঙা স্রোত বেয়ে বয়ে যাই। 
কিসে যাই ? কোথায় যাই ? কতদূরে যাই ? কে চায় বহুদূরে চলে যেতে। 
রোজ লিখে ফেলা সোনার বাগান। তুমি শেখো।
তুমি জানো শব্দবন্ধ। তুমি রোজ লেখো। 

আর কতদূর যাওয়া আছে।
সোনালী আভায় পুড়ে যাওয়া ঘর। 
আর নতমুখে ফেরা কার কাছে।